,

দেশ প্রেমে উদ্ধুদ্ধ করতে শহীদ মিনার প্রেরণা জোগাবে -বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী

মোহা. অলিদ মিয়া ॥ মাধবপুর উপজেলায় একযোগে ১৪৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ভাষা শহীদদের স্মৃতিস্বারক শহীদ মিনার নির্মান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকালে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে নির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও দাতাদের উদ্যেগে এ শহীদ মিনারগুলো নির্মিত হয়। ভাষা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার ও শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস আগামী প্রজন্মকে জানান দিতে ভাষা দিবসের ৫৮ বছর পর শহীদ মিনার স্থাপিত হল। দক্ষিন বেজুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহাকরী শিক্ষক আব্দুল্লা মিয়া জানান, ইতিপূর্বে ভাষা আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে অনেক ক্ষুদে শিক্ষার্থীগন নিজেরাই উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরী করে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের সম্মান জানাত। আজ থেকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা নিজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করতে পারবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান জানান-ভাষার মাস গত ফেব্রুয়ারীতে শহীদ মিনার স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছিল আজ উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের আন্তরিকতায় ১৪৯টি বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধনের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারা এর সভাপতিত্বে একযোগে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রফিক নাজিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার, সহাকরী কমিশানর (ভূমি) আয়েশা আক্তার, সহকারী শিক্ষা কর্মকতা দ্বিজেন্দ্র আচার্য্য, মুক্তিযোদ্ধা সুকোমল রায়, চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান, সাংবাদিক সাব্বির হাসান প্রমূখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন-ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ ও মুক্তিযুদ্ধ সর্ম্পকে ছোট শিশু শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। আমাদের দেশ প্রেমে উদ্ধুদ্ধ করতে শহীদ মিনার প্রেরনা জোগাবে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপকভাবে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে তিনি আহ্বান জানান। প্রকৃতপক্ষে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার বীজ বপন করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো খবর