,

বিদ্রোহী প্রার্থীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর দায়ে তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা- ওবায়দুল কাদের

সময় ডেস্ক ॥ আসন্ন ৮৪৮টি ইউনিয়ন ও ১০টি পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় নিয়মকানুন ভেঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর দায়ে তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। গত শুক্রবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘অনিয়ম করে যারা প্রার্থীদের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছে বা পাঠাবে তাদের বিরুদ্ধে খোজ- খবর নেওয়া হচ্ছে, প্রমাণ পাওয়া মাত্রই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো বিদ্রোহী প্রার্থীকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না এবং এবারও যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন তাদের ভবিষ্যতে কোনো পদ-পদবী ও মনোনয়ন দেওয়া হবে না।’ বাংলাদেশকে নতজানু রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা চলছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ জানে কারা বাংলাদেশকে নতজানু রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। কথায় কথায় যারা দেশের বিরুদ্ধে বিদেশিদের কাছে নালিশ করে, যারা বিদেশি দূতাবাসের বন্ধ দরজায় ফুল আর মিষ্টি নিয়ে অপেক্ষা করে, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ করে, তারাই বাংলাদেশকে নতজানু রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়।’ বিএনপির সমালোচনায় তিনি বলেন, ‘বিএনপিই ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশ ও জাতির স্বার্থ বিসর্জন দেয় এবং বাংলাদেশকে নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা করে।’ বিএনপির গণ-আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জনগণ এখন তাদের এ গণ-আন্দোলনের আহ্বানের ডাক শুনলে হাসে। কারণ ১৩ বছর বিএনপি বহুবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কিন্তু জনগণ তো দূরের কথা তাদের নেতাকর্মীরাই সাড়া দেয়নি।’ বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে এই মূহুর্তে গণ-আন্দোলনের বস্তগত কোন উপাদান নাই,অতীতের মতো এবারও জনগণ আপনাদের ডাকে সাড়া দিবে না।’ সরকার নাকি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি একদিকে ভোটে আসবে না, আবার নির্বাচিত হয়েও মির্জা ফখরুল ইসলাম সংসদে যাবে না, সংসদে তো বিএনপির প্রতিনিধিও রয়েছে।’ ওবায়দুল কাদের বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাহলে একদলীয় শাসন হয় কিভাবে? বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে যা করেছিলো জাতি তা ভুলে যায়নি। বিএনপির বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিলো বহুদলীয় তামাশা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো খবর