,

নবীগঞ্জে নৌকা প্রতীক পেতে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ মাঠে আছেন স্বতন্ত্র, লন্ডন প্রবাসীসহ শতাধিক প্রার্থী

মোঃ মুজাহিদ চৌধুরী ॥ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের হওয়া বইছে দেশজুড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র সরগরম নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ না করলেও লবীং তদবীরে ব্যস্ত সময় কাঠাচ্ছেন আওয়ামী লীগের (নৌকা প্রতীক) মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। এ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে বর্তমান ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের ৬৯জন মনোয়ন প্রত্যাশী জেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত ছুটে বেড়াচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করার লক্ষে। যার ফলে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অধিকাংশই বর্তমানে অবস্থান করছেন ঢাকায়।
অপরদিকে মাঠে ঘাটে চষে বেড়াচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নানান প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়িতে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন তারা। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা। নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে বর্তমানে নৌকার দখলে রয়েছে ৭টি ইউনিয়ন, ধানের শীষ প্রতীকে একমাত্র ৭নং করগাঁও ইউনিয়নে মোঃ ছাইম উদ্দিন ও অপর ৫টি ইউনিয়নে জয়লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ। আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে একক প্রার্থী নির্বাচন করার সুযোগ থাকলেও বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে না আসায় বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী ৩য় ধাপে নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি-সহ সারাদেশে ১০০৭টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণ হবে আগামী ২৮ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২ নভেম্বর, যাচাই-বাছাই ৪ নভেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১১ নভেম্বর ও প্রতীক বরাদ্ধ ১২ নভেম্বর।
উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মাঠ পর্যায়ে যারা প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেনÑ
১নং বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সত্যজিত দাশ (স্বতন্ত্র), আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান সমর চন্দ্র দাশ, সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন মোঃ ইসলাম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরণ দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা যথাক্রমে ময়ূক কান্তি চৌধুরী, রাজেশ চন্দ্র দাশ রাজু ও রুপক চন্দ্র দাশ। আলোচনায় রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস শহীদ তালুকদার শাহিদ। এই ইউনিয়নে বিগত ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সত্যজিত দাশ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সমর চন্দ্র দাশ (নৌকা)।
২নং বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোঃ আশিক মিয়া (স্বতন্ত্র)। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আক্তার মিয়া (ছুবা), সহ-সভাপতি মেহের আলী মালদার, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ খালেদ মোশাররফ, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ জাকারিয়া হোসেন বকুল। উক্ত ইউনিয়নে বিগত ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আশিক মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মেহের আলী মালদার (নৌকা)।
৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সালিশ বিচারক মোঃ বজলুর রশীদ (স্বতন্ত্র)। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোঃ আছাবুর রহমান জীবন, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ছায়েদুল হক জায়েদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ রাকিল হোসেন, যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক আশাহীদ আলী আশা। এছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি নেতা আকিকুর রহমান। এই ইউনিয়নে বিগত ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ বজলুর রশীদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ছায়েদুল হক জায়েদ।
৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ (এওলা মিয়া)। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ছালিক মিয়া। আওয়ামী লীগের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলাম হুসাইন রব্বানী, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আবু ছালেহ জীবন, সাবেক যুবলীগ নেতা চৌধুরী রুহুল আমীন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদুর হক। এছাড়াও বিএনপি নেতা আব্দুল বারিক রনি’র নামও শোনা যাচ্ছে। এখানে ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবু সাঈদ এওলা মিয়া (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ছালিক মিয়া।
৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন (স্বতন্ত্র)। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ দিলাওর হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান নোমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির সাবেক পরিচালক শফিউল আলম হেলাল, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ এন আলী এহিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আশিকুর রহমান, আওয়ামী লীগ মোতাচ্ছির হোসেন খাঁন, সাবেক যুবলীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন আছাব ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মোঃ নিজামুল ইসলাম চৌধুরী। এছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী কউছর আহমদ (কাউছার) ও ইউনিয়ন গণফোরামের আহবায়ক হাজী সাইফুর রহমান। এই ইউনিয়নে ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান হারুন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ দিলাওর হোসেন।
৬নং কুর্শি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমদ মুসা। সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ। আওয়ামী লীগের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশিরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ ওবায়দুল কাদের হেলাল, কৃষকলীগ নেতা মোঃ আব্দুল মুকিত, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মেদ অনর উদ্দিন জাহিদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আঃ বাছিত চৌধুরী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা আবু তালিম চৌধুরী নিজাম। এছাড়া এ উপজেলায় একমাত্র মহিলা প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ছইফা রহমান (কাকলী)। এই ইউনিয়নে ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলী আহমেদ মুসার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ।
৭নং করগাঁও ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোঃ ছাইম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বজলুর রহমান, নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাশ রানা, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কদ্দুছ সাগর। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ১৩টি ইউয়িনের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী মোঃ ছাইম উদ্দিন। তার সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নির্মলেন্দু দাশ রানা (নৌকা)।
৮নং সদর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজু আহমদ চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খসরু আহমেদ, নবীগঞ্জ পৌর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা মাকাচ্ছিন মিয়া (মহসীন)। মাঠে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা তরুন প্রার্থী জাকির আহমদ চৌধুরী। এছাড়াও নাম শোনা যাচ্ছে জাপা নেতা লন্ডন প্রবাসী মুফতি মিয়ার। এই ইউনিয়নে ২০১৬ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয় লাভ করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাজু আহমদ চৌধুরী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী।
৯নং বাউসা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সিদ্দিক, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট দানশীল আলহাজ¦ জুনেদ হোসেন চৌধুরী ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোঃ দুলাল চৌধুরী। প্রচারনায় রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ ছাদিকুর রহমান শিশু ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান জুয়েল। ২০১৬ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয় লাভ করেন মোঃ আবু সিদ্দিক। উল্লেখ্য ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুর রহমান সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করে মোমবাতী প্রতীক নিয়ে ১৭০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন দাঈমুদ্দিন এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ জুনেদ হোসেন চৌধুরী। পরবর্তীতে ২টি নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করেন নি।
১০নং দেবপাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মোহিত চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আ.খ.ম ফখরুল ইসলাম কালাম, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম ও যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা মোঃ নুরুল শরীফ। প্রচারনায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এড. মাসুম আহমেদ (জাবেদ আলী)’র পুত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহরিয়াজ নাদির সুমন। এছাড়াও ছাত্রদল নেতা মাসুম আহমেদের নামও শোনা যাচ্ছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী এড. মাসুম আহমেদ (জাবেদ আলী)’র ম”ত্যুতে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ শোন্য হলে উপ-নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মোহিত চৌধুরী (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন প্রয়াত এড. মাসুম আহমেদ (জাবেদ আলী)’র পুত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহরিয়াজ নাদির সুমন।
১১নং দেবপাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল। বিএনপি নেতা শফিউল আলম বজলু। আওয়ামী লীগের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, আওয়ামী লীগ নেতা যথাক্রমে মোঃ সাবের আহমেদ চৌধুরী, মোঃ আজমান আলী, ডাঃ আব্দুল কাইয়ূম সেলিম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ তোফায়েল আহমেদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জমশেদ আলী, আওয়ামী লীগ নেতা সামছু উদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মাহবুব আলী (নুরু), স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শেখ মাসুদুর রহমান। ২০১৬ সালের নির্বাচনে এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ (স্বতন্ত্র)।
১২নং কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, যুক্তরাজ্য জাতীয় শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শাহ শহীদ আলী। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন মনির হোসেন মাস্টার, ইউনিয়ন গণফোরামের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান চৌধুরী ও জাপা নেতা ছবিল মিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে এই ইউনিয়নে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক চৌধুরী।
১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ইজাজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এড. আতাউর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ শাহ দরাজ ও মোঃ মনসুর আলম, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ তোফাজ্জুল হোসেন, উপজেরা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহের উদ্দিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ এখলাছুর রহমান খান, উপজেলা যুবলীগ নেতা অনু আহমেদ। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন মামুন আহমদ। উক্ত ইউনিয়নে ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ ইজাজুর রহমান (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান (স্বতন্ত্র)।
প্রার্থীরা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চষে বেড়াচ্ছেন সাধারণ ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টায়। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে রয়েছে সরব উপস্থিতি। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান চেয়ারম্যানসহ সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিগত দিনের কর্মকান্ডসহ নানা কার্যক্রমের চুলছেড়া বিশ্লেষণ করে হিসাব মিলাচ্ছেন কে হবেন আগামী দিনের চেয়ারম্যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো খবর