,

বৃটিশ রাণীর কাছ থেকে ব্যাংকার অলিউর রহমান শাহীনের বৃটিশ এম্পায়ার মেডাল গ্রহন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের মৃত হাজ্বী আতাউর রহমান ও ছায়মা বেগমের দ্বিতীয় পুত্র, সাবেক লেকচারার এবং ব্যাংকার অলিউর রহমান শাহীন করোনাকালীন সময়ে দেশ ও জাতীর কল্যাণে অসামান্য অবদান রাখায় ব্রিটেনের রানীর ৭০ বৎসর মতা আরোহন ও ৯৬তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রিটিশ এম্পায়ার মেডাল বি.ই.এম উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। অলিউর রহমান শাহীন কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য চ্যাম্পিয়ান হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত মিটিং ও সেমিনারে অংশ গ্রহন করে সরকারের আদেশ ও নিষেধ গুলো সমাজের কাছে পৌছে দিয়েছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে মাস্ক, গ্লাভস ও হ্যান্ড সেনিটাইজার সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন। স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিকবার তার কার্যক্রম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি লন্ডনের ইজলিংটন কাউন্সিলের অধিনে দুইটি মাধ্যমিক ও দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভর্ণর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সমাজের শিার উন্নয়ন ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অলিউর রহমান শাহীন লন্ডনে স্থায়ী ভাবে বসবাসের শুরুতেই নিজ গ্রাম নিজামপুর গ্রামের নামে বৃটিশ সরকারের অনুমোদিত চ্যারিটি সংস্থা ‘এন.কে ট্রাস্ট ইউ.কে’ প্রতিষ্ঠা করে হবিগঞ্জ তথা বৃহত্তর সিলেটের শিা, স্বাস্থ্য ও গরীব অসহায় মানুষের মুখে হাসিফুটানোর জন্য যথা সাধ্য চেষ্টা করে যা”েছন। অলিউর রহমান শাহীন মানুষের কল্যাণে আজীবন যেন কাজ করে গণ মানুষের মুখে হাসিফুটাতে পারেন সেই জন্য হবিগঞ্জ তথা দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশি, গ্রামবাসী ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। যাবতীয় সহযোগিতা ও ভালবাসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী সন্তান ও এলাকাবাসী মুরুব্বীয়ানদের, যাদের অকান্ত পরিশ্রম ও দোয়ার বরকতে আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বৃটেনের রানীর কাছ থেকে বৃটিশ এম্পায়ার মেডাল উপাধি পেয়ে নিজেকে ধন্য ও মহান আল্লাহ পাকের প্রতিশুকরিয়া জ্ঞাপন করছেন। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অলিউর রহমান শাহীন বলেন, ‘যাবতীয় সহযোগিতার জন্য যতদিনএই দেহে প্রাণ থাকবে, ততদিন মানুষের কল্যানে যেন কাজ করে যেতে পারি তার জন্য সকলের কাছে দোয়া ও ভালবাসার আবেদন জানাচ্ছি অলিউর রহমান শাহিন, লন্ডনে ইজলিংটন কাউন্সিলে লেবার পাটির কেমপেইন পোরামের দুইবারের নিবাচিত নির্বাহি সদস্য ও কাউন্সিলর কেনডিডিয়েট ছিলেন, তিনি হবিগঞ্জ ডিসটিক্টস এসোসিয়েশন ইঊ কে, শায়েস্তাগঞ্জ সমিতি ইউ কে, বৃনদাবন এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ইঊ কে, হবিগঞ্জ ইয়থ এসোসিয়েশন ইঊ কে ও আরো অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার রাইয়াপুর গ্রামের হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের মৃত হাজ্বী আতাউর রহমান ও ছায়মা বেগমের দ্বিতীয় পুত্র, হবিগঞ্জ আহসানিয়া মিশনষত মৃত আবদুল মালিক ও নারগিস খাতুনের কণ্যা ইসরাত মালিকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে লন্ডনে পারি জমান।

     এই বিভাগের আরো খবর