,

নবীগঞ্জে বন্যায় তলিয়ে গেছে ৩ হাজার ৩’শ হেক্টর জমির ফসল

জাবেদ তালুকদার : নবীগঞ্জে বন্যায় শতশত ঘর-বাড়ি প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি তলিয়ে গেছে মাঠের আমন, আউশ ধান, শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফলমূল। ফসল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তবে বন্যা পরবর্তী সময়ে উৎপাদন চালিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কৃষি প্রনোদনা, পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আমন ধানের বীজ/চারা, সার, সবজি বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইতিমধ্যেই সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তলিয়ে গেছে প্রায় ৩ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমির ফসল। এর মধ্যে রয়েছে আউশ ও বোনা আমন ধান, এছাড়া সবজি এবং বাগানের ফলও রয়েছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২ হাজার ৭ শত হেক্টর জমিতে আবাদকৃত আউশ ধানের মধ্যে ২ হাজার ১০ হেক্টর জমির আউশ ধান এখনও পানিতে রয়েছে, ১ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদকৃত বোনা আমন ধানের পুরোটাই পানির নিচে রয়েছে এছাড়াও ৮ শত হেক্টর জমিতে আবাদকৃত সবজির মধ্যে ৩ শত ২০ হেক্টর সবজি এবং ২০ হেক্টর বাগানের আম, লেবু, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি না নামা পর্যন্ত ডুবে যাওয়া ফসলের মধ্যে কতটুকু টিকতে পারে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। পানি নেমে যাওয়ার পর ফসলের চূড়ান্ত ক্ষতি নির্ণয় করা যাবে বলে জানিয়েছে কৃষি অধিদপ্তর। বন্যা পরবর্তী সময়ে উৎপাদন চালিয়ে নিতে ইতিমধ্যেই কৃষি প্রনোদনা, পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আমন ধানের বীজ/চারা, সার, সবজি বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুপারিশ করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাকসুদুল আলম বলেন- পানি স্থানভেদে ৪-১৬ ইঞ্চি কমেছে। পানি নেমে গেলে অল্প কিছু ধান, ফল বাগান এখনো রক্ষা পাবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে যাদের আমন ধান আবাদের জমি আছে তাদের আমনধান আবাদে সহযোগিতা করবো এবং যাদের পানি নামতে দেরি হবে সেখানে সরিষা চাষে আমরা সহযোগিতা করবো। যেসব স্থানে পানি আগে সরে যাবে সেখানে অথবা আশেপাশের উপজেলার উচু জমিতে আপদকালীন বীজতলা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ট্রেতে বীজতলা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

     এই বিভাগের আরো খবর